বিশ্ব বিখ্যাত ব্যক্তি বলতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা অসংখ্য ব্যক্তিত্বকে বোঝানো হয় ।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
অস্ট্রিয়া
গ্রিস
সুইডেন
ইতালি
“বিশ্বের বিখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক” বলতে আমরা সাধারণত সেই সব লেখক ও কবিদের বুঝি যারা তাদের সাহিত্যকর্মের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে প্রভাব ফেলেছে।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- ষষ্ঠ শতকে আরবি ভাষার শ্রেষ্ঠ কবি।
- আরবের নজদ এলাকায় বর্তমান ইয়েমেনে জন্মগ্রহণ
- মুয়াল্লাকা নামক বিখ্যাত কাব্য সংকলন তাঁরই সৃষ্টি।
- তিনি সুলতান মাহমুদের দরবারের সভাকবি ছিলেন।
- প্রাচীন ইরানের ইতিহাস ও সংস্কৃতি নিয়ে ফারসি ভাষায় রচিত বিখ্যাত মহাকাব্য শাহনামা তারই সৃষ্টি।
- ৩০ বছরের অধিক সময় নিয়ে মহাকাব্য শাহনামা' রচনা করেন
- তাঁকে 'প্রাচ্যের হোমার' বলে অভিহিত করা হয়।
- বিখ্যাত মুসলিম জ্যোতির্বিদ আল বেরুনী বর্তমান উজবেকিস্তানে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি সর্বপ্রথম 'কিতাবুল তাফহিম-এ 'পৃথিবীর গোলাকার' মানচিত্র তৈরী করেন।
- সুলতান মাহমুদের দরবারে জ্যোতির্বিদ হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
- গণিত, জ্যামিতি ও বিশ্বের গঠন সম্পর্কে রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ কিতাবুল তাফহিমা তাঁরই অসামান্য সৃষ্টি।
- "কিতাবুল হিন্দ' তাঁর একটি বিখ্যাত গ্রন্থ।
- গজনীর সুলতান মাহমুদের পৃষ্ঠপোষকতায় ভারতে প্রায় ১২ বছর অবস্থান করেন।
- ওমর খৈয়াম পারস্যের (বর্তমান ইরান) বিখ্যাত কবি ও দার্শনিক।
- বিখ্যাত 'রুবাইয়াত' (চতুষ্পদী কবিতা) গ্রন্থের রচয়িতা।
- কবি কাজী নজরুল ইসলাম গ্রন্থটি বাংলায় অনুবাদ করেন রুবাইয়াত-ই-ওমর খৈয়াম নামে।
- একজন ফারসি কবি সুফিতাত্ত্বিক, আইনজ্ঞ ও ধর্মতত্ত্ববিদ ছিলেন।
- জালাল উদ্দিন মুহাম্মদ বালখী নামেও পরিচিত।
- তাঁর লেখা বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'মসনবী শরীফ'।
- 'মসনবী শরীফ গ্রন্থে কুরআন ও আধ্যাত্মিক জীবন সম্পর্কিত রুমির গভীর উপলব্ধির বর্ণনা রয়েছে।
- মধ্যযুগীয় ফারসি কবি শেখ সাদী ১২১০ ইরান করে।
- তিনি নৈতিক চিন্তার গভীরতার জন্য স্বীকৃত।
- তাঁর রচিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে বুস্তা' ও 'গুলিস্তা নামক গ্রন্থ দুটি অন্যতম।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- বিখ্যাত ভারতীয় কবি, দার্শনিক ও ধর্ম সংস্কারক।
- তাঁর বালানাম- রামবোলা ।
- হিন্দু সম্প্রদায়ের দেবতা রামের জীবনকাহিনীর উপর রচিত বিখ্যাত মহাকাব্য 'রামচরিতমানস' তাঁরই সৃষ্টি।
- বিখ্যাত ইংরেজ কবি ও নাট্যকার ছিলেন।
- ১৫৬৪ সালের ২৬ এপ্রিল ইংল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেন।
- 'Bird of Avon' বলা হয় তাঁকে।
উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ-
Hamlet, Antonio Cleopatra, King Lear, Othello, Twelfth Night,
The Tempest, Romeo and Juliet, The Merchant of Venice
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
London
Coventry
Sussex
Durham
Stratford-upon-Avon,United Kingdom
- খ্যাতনামা ফারসি ভাষার কবি (ইরানের) আসল নাম শামসুদ্দীন মোহাম্মদ
- তিনি হাফিজ সিরাজি' নামে ইরানে পরিচিত।
- তিনি 'বুলবুল-ই-সিরাজ' হিসেবে অধিক পরিচিত।
- কবি হাফিজের 'রুবাইয়াৎ-ই-হাফিজ' কবিতাটি অনুবাদ করেন- কাজী নজরুল ইসলাম ।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- বিখ্যাত ইংরেজ কবি ও লেখক জন মিল্টন
- ১৬০৮ সালে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে জন্মগ্রহণ করেন।
- 'বাংলার জন মিল্টন বলা হয় কবি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়কে।
- তার বিখ্যাত মহাকাব্যের নাম- Paradise Lost, Paradise Regained
- বিখ্যাত জার্মান কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও দার্শনিক।
- তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ- Faust, The Sorrows of Young Werther, Wilhelm Meister's Apprenticeship.
- আল্লামা ইকবাল ব্রিটিশ ভারতের মুসলিম কবি
- দার্শনিক আল্লামা ইকবাল ১৮৭৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন তৎকালীন ভারতের পাঞ্জাব শহরে।
- একই সাথে ফারসি ও উর্দু ভাষায় কবিতা রচনা করতেন।
- তিনি পাকিস্তানের 'জাতীয় কবি' ও 'আধ্যাত্মিকতার জনক ।
- তিনি ইরানে ইকবাল-ই-লাহোরী' নামে পরিচিত।
- তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ- আসরার-ই-খুদি, জবর-ই-কালিমা, শিকওয়া, শিকওয়া জবাব-ই- শিকওয়া ।
- Man is condemned to be free ( মানুষ কখনো স্বাধীন আবার কখনো পরাধীন)- মানবতাবাদ
- Man is born free but everywhere in chains রুশো -মানবতাবাদ
- Man is the measure of all things - প্রোটাগোরাস মানবতাবাদ
- Die to live 1 Be a person পূর্ণতাবাদ-
- Self-preservation is the first law of Nature- Egoism
- Duty for duty's sake পরিণতিমুক্ত সুখবাদ Kant
- Beauty is truth, truth is Beauty that is all Keats নন্দনতত্ত্ব
- Survival of the fittest বিবর্তনবাদ- চার্লস ডারউইন
- সর্বাধিক লোকের জন্য সর্বাধিক সুখ- উপযোগবাদ- মিল ও বেন্থাম
- অভাগা যায় বাভৈলা, কপাল যায় সভৈদা- অদৃষ্ট বাদ
- এ সংসার ধোঁকার চাটি- মায়াবাদ
- ঋণ করে হলেও ঘি খাও- চার্বাক দর্শন/সুখবাদ
- ভাবার্থে- সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই- চন্ডীদাস
- জীবে প্রেম করে যেইজন, সেইজন সেবিছে ঈশ্বর- স্বামী বিবেকানন্দ
- সীমার মাঝে, অসীম তুমি বাজাও আপন সুর- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-সধেশ্বরবাদ
- কত দুঃখ, কত ক্লেশ, কত যুদ্ধ, কত মৃত্যু নাহি তার শেষ।- দুঃখবাদ / নৈরাশ্যবাদ
- যা আছে ভান্ডে (দেহে) তা আছে ব্রাহ্মে- লালন / বাউল- দেহাত্মবাদ
- সবকিছুতে ঈশ্বর আছে কিন্তু সবকিছুই ঈশ্বর নয়- সর্বধরেশ্বরবাদ
- সবকিছুই ঈশ্বর এবং ঈশ্বর সবকিছু- সদ্বেশ্বরবাদ (Pantheism )
- অস্তিত্ব সরেসত্তার পূর্বগামী- অস্তিত্ববাদ- জ্যা পল সার্তে
- এ জীবন শান্তিকরূপ এবং সম্মা জড় জগৎ অশুভ ও মায়ামাত্র- জন্মাতবাদ/কর্মবাদ
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- ১৯ শতকের শ্রেষ্ঠ মুসলিম দার্শনিক ইবনে খালদুন ১৩০৩২ সালে তিউনিসিয়ার অনুগ্রহণ করেন।
- মুসলিম বিশ্বের শ্রেষ্ঠ দার্শনিকদের মধ্যে অন্যতম।
- জন্ম - ২৭ মে ১৩৩২ খ্রিস্টাব্দে (তিউনিসিয়ায়)
- তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ- 'কিতাবুল ইবার (৭ খণ্ডে) রচিত ।
- 'মুকাদ্দিমা' (ভূমিকা) এর জন্য তিনি সর্বাধিক পরিচিত।
- সমাজবিজ্ঞানে অসামান্য অবদান রয়েছে তার।
- আধুনিক সমাজবিজ্ঞান, ইতিহাস ও অর্থনীতির জনকদের মধ্যে অন্যতম
- সামাজিক সংহতি প্রত্যয়টির ব্যাখ্যা প্রদান করেন।
- ইবনে খালদুন বিশ্বজোড়া সমাদৃত তার মুকাদ্দিমা গ্রন্থের জন্য।
- মিশরের কায়রোতে মৃত্যুবরণ করেন- ১৪০৬ সালে ।
- বিখ্যাত ব্রিটিশ দার্শনিক, ইতিহাসবেত্তা, গণিতবিদ ও সমাজ সমালোচক।
- সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ১৯৫০ সালে।
- তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ-
Power: A New Social Analysis
The Conquest of Happiness
The Proposed Roads to Freedom
The Problems of Philosophy
History of Western Philosophy
- Auguste Comte ছিলেন একজন ফরাসি সমাজবিজ্ঞানী ও লেখক।
- তিনিই প্রথম Sociology শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন।
- সমাজবিজ্ঞানে প্রথম বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ব্যবহার করেন চিরস্মরনীয় হয়ে আছেন
- তিনি দৃষ্টবাদ বা পজিটিভিজম দর্শনের উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখেন ।
- তিনি কার্ল মার্ক্স, জন স্টুয়ার্ড মিল অগুনতি সমাজচিন্তকদের উদ্বুদ্ধ করেছে
- তাছাড়া তিনিই প্রথম ফাংশনালিজম বা ক্রিয়াবাদের ধারণা দেন
- ১৯৩৯ সালে তিনিই প্রথম Sociology শব্দটি ব্যবহার করে সমাজবিজ্ঞানের নতুন দ্বার উন্মোচন করেন ।
- তাঁকে সমাজবিজ্ঞানের জনক বলা হয়।
- তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ-
Positive Polity,
Scientific Positivism &
Positive Philosophy
- ষোড়শ শতকের একজন ইংরেজ দার্শনিক।
- জন্ম ৫ এপ্রিল ১৫৮৮ খ্রিষ্টাব্দে।
- ১৬৫১ সালে প্রকাশিত বিখ্যাত গ্রন্থ 'লেভিয়েথন (Leviathan) গ্রন্থটিতে সামাজিক চুক্তি তত্ত্ব ধারণা প্রতিষ্ঠা করেন।
- তিনি ১৬৭৯ খ্রিষ্টাব্দে ইংল্যান্ডের ডার্বিশায়ারে মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর বিখ্যাত উক্তি-
মানুষ স্বভাবতই স্বার্থপর ও আত্মত্মকেন্দ্রিক।
Knowledge is power
Leisure is the mother of philosophy
- খ্রিস্ট ধর্মের প্রখ্যাত দার্শনিক ও চিন্তাবিদ সেন্ট অগাস্টিন
- বর্তমান আলজেরিয়ার ট্যাগাস্টিতে জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলায় তাকে সাধু অগাস্টিনও বলা হয়।
- তিনি বিখ্যাত গ্রন্থ- 'City of God', 'Confessions'
একজন ব্রিটিশ দার্শনিক, যুক্তিবিদ, গণিতবিদ, ইতিহাসবেত্তা ও সমাজকর্মী। দার্শনিক হলেও তিনি ১৯৫০ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
তাঁর লেখা বিখ্যাত গ্রন্থ
Principia Mathematica
Marriage and Morals
Albert Camus-- The Outsider
Proposed Roads to Freedom
Power:A New Social Analysis
- কান্টের জন্ম রাশিয়ার অন্তর্গত ও কালিনিনগ্রাদ নামে পরিচিত।
- কান্টকে আধুনিক ইউরোপের প্রভাবশালী চিন্তাবিদ হিসাবে গণ্য করা হয়।
- ইউরোপের Age of Enlightenment বা আলোকিত যুগের শেষ দার্শনিক।
- তিনি তার "Critique of Pure Reason" (১৭৮১) বইটির জন্য স্বনামধন্য ।
বিখ্যাত বিজ্ঞানী বলতে আমরা সেই বিজ্ঞানীদের বুঝাই যারা তাদের গবেষণা, আবিষ্কার বা উদ্ভাবনের মাধ্যমে বিজ্ঞানের অগ্রগতি ঘটিয়েছেন এবং যাদের কাজ সমগ্র মানব সমাজ বা বিজ্ঞানের ক্ষেত্রকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করেছে। তারা সাধারণত নতুন তত্ত্ব, সূত্র, যন্ত্রপাতি বা প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে এবং বৈজ্ঞানিক জ্ঞানকে অনেক দূর প্রসারিত করেছেন।
উদাহরণস্বরূপ:
আলবার্ট আইনস্টাইন – আপেক্ষিকতা তত্ত্ব (Theory of Relativity) এর জনক।
আইজ্যাক নিউটন – গতি ও মহাকর্ষ তত্ত্ব (Laws of Motion & Gravity) এর প্রতিষ্ঠাতা।
মেরি কুরি – রেডিয়াম ও পলোনিয়াম আবিষ্কারক, রেডিয়েশনের ওপর গবেষক।
চার্লস ডারউইন – বিবর্তন তত্ত্ব (Theory of Evolution) প্রবর্তক।
সংক্ষেপে, বিখ্যাত বিজ্ঞানী হলেন সেই ব্যক্তি যার কাজ বিজ্ঞানের দুনিয়ায় স্থায়ী প্রভাব ফেলেছে।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- বিখ্যাত মুসলিম চিকিৎসক, জ্যোতির্বিদ ও দার্শনিক।
- ইবনে সিনা উজবেকিস্তানে জন্মগ্রহণ করেন ৯৮০ সালে ।
- ইবনে সিনাকে জ্ঞানীকূলের শিরোমণি (আল-শায়খ আল-রাঈসা) বলে আখ্যায়িত করা হয়।
- তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ-
কিতাব আল-শিফা' (দর্শন শাস্ত্র)।
আল-কানুন (The Canon of Medicine)
আল-ইশারাত ওয়াত-তানবিহাত
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
মনোবিজ্ঞানী
চিকিৎসাবিজ্ঞানী
জীববিজ্ঞানী
কৃষিবিজ্ঞানী
- আইজ্যাক নিউটন বিখ্যাত ব্রিটিশ গণিতবিদ ও পদার্থ বিজ্ঞানী।
- ১৭০৫ সালে নাইট উপাধিতে ভূষিত হন।
- তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ও অবদান- Mathematical Princes of Natural Philosophy', ক্যালকুলাস, অভিকর্ষ, আলোবিদ্যা বস্তুর গতি সূত্র (৩টি) ইত্যাদির জন্য বিখ্যাত।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- মাদাম কুরি ১৮৬৭ সালে পোল্যান্ডে ওয়ারশতে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯০৩ সালে প্রথম মহিলা হিসেবে নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন।
- ১৯০৩ সালে পদার্থ ও ১৯১১ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
- ১৯০৩ সালে ম্যারি কুরি ও তাঁর স্বামী পিয়েরে কুরি যৌথভাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনিই প্রথম নারী যিনি ভিন্ন দুই শাখায় নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- বিখ্যাত ব্রিটিশ চিকিৎসক ও অণুজীব আলেকজান্ডার ফ্লেমিং স্কটল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেন।
- 'পেনিসিলিন' আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত।
- ১৯৪৪ সালে পেনিসিলিন আবিষ্কারের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৪৪ সালে 'নাইট' উপাধি লাভ করেন।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- বিখ্যাত বিজ্ঞানী গ্রাহাম বেল স্কটল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেন।
- টেলিফোন আবিষ্কার করেন।
- 'বোবাদের পিতা' বলা হয়- গ্রাহাম বেলকে।
- ইতালীয় জ্যোর্তিবিজ্ঞানী ও পদার্থবিজ্ঞানী ।
- দূরবীক্ষন বা টেলিস্কোপ যন্ত্রের আবিষ্কারক
- গ্যালেলিও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র আবিষ্কার করেন।
- বিখ্যাত উক্তি- 'সূর্য পৃথিবীর চারদিকে নয়, বরং পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘুরছে।”
- বিখ্যাত ফরাসি অণুজীববিজ্ঞানী ও রসায়নবিদ।
- রোগজীবাণু তত্ত্ব উদ্ভাবন করেন।
- তিনি প্রমান করেন অ্যালকোহল জাতীয় দ্রব্য পচনের জন্য দায়ী অনুজীব
- অ্যান্থ্রাক্স, জলাতঙ্ক রোগের প্রতিষেধক টিকা আবিষ্কার করেন।
- স্টিফেন হকিং একাধারে পদার্থবিজ্ঞানী ও গণিতবিদ ছিলেন।
- স্টিফেন হকিং ১৯৪২ সালে ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ডে জন্মগ্রহণ করেন।
- ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের লুকাসিয়ী অধ্যাপক ছিলেন।
- Motor Neurone Disease' রোগে আক্রান্ত ছিলেন।
- তাঁর জীবননির্ভর চলচ্চিত্র 'The Theory of Everything
- উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ-
My Brief History
A Brief History of Time
The Grand Design
The Universe in a Nutshell
- ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ অ্যাডাম স্মিথ স্কটল্যান্ডে ১৭২৩ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
- অর্থনীতির জনক হিসেবে পরিচিত।
- অর্থনীতিকে 'সম্পদের বিজ্ঞান' নামে অভিহিত করেন।
- অর্থনীতিতে 'অদৃশ্য হাত' ধারণাটি তিনি প্রবর্তন করেন।
- 'ক্ল্যাসিকাল' এবং 'লেইসে ফেয়ার বাদের প্রবক্তা।
- উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ-
The Theory of Moral Sentiments
The Wealth of Nations
- আধুনিক অর্থনীতির জনক হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- ১৯৭০ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে তিনিই সর্বপ্রথম অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- বিখ্যাত ব্রিটিশ দার্শনিক, চিকিৎসক ও রাজনৈতিক ভাস্যকর।
- আধুনিক গণতন্ত্র' বা 'সংসদীয় গণতন্ত্রের জনক।
- State of Nature সম্পর্কে ধারণা প্রদান করেন।
- বিখ্যাত উক্তি- "যেখানে আইন নেই, সেখানে স্বাধীনতা নেই।
- উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ-
Two Treatises of Civil Government.
An Essay Concerning Human understanding.
A Letter Concerning Toleration.
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল (১২ মে, ১৮২০ – ১৩ আগস্ট, ১৯১০) আধুনিক নার্সিং সেবার অগ্রদূত, লেখিকা ও পরিসংখ্যানবিদ ছিলেন। তিনি “দ্যা লেডি উইথ দ্যা ল্যাম্প” নামে খ্যাত। অভিজাত পরিবারে জন্মগ্রহণকারী ফ্লোরেন্সের বাবা ছিলেন উইলিয়াম এডওয়ার্ড নাইটিঙ্গেল এবং মা ফ্রান্সিস নাইটিঙ্গেল। ছোটবেলা থেকেই তার স্বপ্ন ছিল নার্স হওয়া, কিন্তু তখন নার্সিংকে সম্মানের চোখে দেখা হতো না এবং তার পরিবারও চাইনি সে এই পথ বেছে নাক। তবুও ফ্লোরেন্স নিজের ইচ্ছার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়ে যেত।
১৮৫৩ থেকে ১৮৫৪ সাল পর্যন্ত তিনি লন্ডনের ‘কেয়ার অব সিক জেন্টলওমেন ইনস্টিটিউট’-এ তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে কাজ করেন। ১৮৫৫ সালে নার্স প্রশিক্ষণের জন্য তহবিল সংগ্রহের উদ্যোগ নেন এবং ১৮৫৯ সালে প্রায় ৪৫ হাজার পাউন্ড সংগ্রহ করেন। পরবর্তীতে তিনি ভারতবর্ষের গ্রামীণ মানুষের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা উন্নয়নে গবেষণা চালান, যা স্থানীয় স্বাস্থ্যসেবার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একই সময়ে ইংল্যান্ডের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নেও অবদান রাখেন এবং ১৮৬০ সালে লন্ডনের সেন্ট থমাস হাসপাতালে ‘নাইটিঙ্গেল ট্রেনিং স্কুল’ প্রতিষ্ঠা করেন, যা বর্তমানে ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল স্কুল অব নার্সিং নামে পরিচিত।
ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের সবচেয়ে পরিচিত কাজ হলো ক্রিমিয়ার যুদ্ধকালীন সময়ে ব্রিটিশ সৈনিকদের স্বাস্থ্যসেবা প্রদান। ১৮৫৪ সালের অক্টোবর থেকে তিনি প্রশিক্ষিত নার্সদের নিয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে যান এবং সেখানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, ওষুধের ঘাটতি ও প্রশাসনিক অবহেলার মধ্য দিয়ে রোগীদের যত্ন নেন। তার সাহসিকতা ও নিরলস পরিশ্রমের কারণে তাকে “দ্যা লেডি উইথ দ্যা ল্যাম্প” নামে সম্মানিত করা হয়।
তার অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ফ্লোরেন্স নানা পদক ও উপাধি লাভ করেছেন। ১৮৮৩ সালে রানী ভিক্টোরিয়া তাকে ‘রয়েল রেডক্রস’ পদক প্রদান করেন, ১৯০৭ সালে প্রথম নারী হিসেবে ‘অর্ডার অব মেরিট’ খেতাব লাভ করেন এবং ১৯০৮ সালে লন্ডনের ‘অনারারি ফ্রিডম’ উপাধি পান। ১৯৭৪ সাল থেকে তার জন্মদিন ১২ মে ইন্টারন্যাশনাল নার্সেস ডে হিসেবে পালিত হয়। ১৯১০ সালের ১৩ আগস্ট ৯০ বছর বয়সে তিনি লন্ডনে মৃত্যুবরণ করেন। নাইটিঙ্গেল নার্সিংকে একটি পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন, স্বাস্থ্যসেবা ও পরিসংখ্যানবিদ্যায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন এবং যুদ্ধকালীন সময়ে অসংখ্য প্রাণ রক্ষা করেন।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
“The Lady with the Lamp” হলো ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের খ্যাতনামা উপাধি।
এই নামটি তার ক্রিমিয়ার যুদ্ধকালীন কাজের জন্য প্রবর্তিত। যুদ্ধের সময় ব্রিটিশ সৈনিকদের অসুস্থ ও আহত অবস্থায় যত্ন নেওয়ার জন্য রাতে বাতি হাতে ঘরে ঘরে ঘুরতেন ফ্লোরেন্স। সৈনিকরা রাতে যখন অসুস্থ বা আহত অবস্থায় থাকত, তখন তিনি তাদের পাশে থেকে চিকিৎসা ও সেবা দিতেন। এই কারণে তাকে “লেডি উইথ দ্যা ল্যাম্প” নামে সম্বোধন করা হয়।
সংক্ষেপে বলতে গেলে, এটি তার সেবামূলক ও করুণাময় কর্মকাণ্ডের প্রতীকী নাম, যা নার্সিং ও মানবসেবায় তার অবদানের পরিচায়ক।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- জন্মঃ ১৮ জুলাই ১৯১৮
- পরিচিতিঃ বর্ণবাদ আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা
- ডাক নামঃ মাদিবা ।
- রাজনীতিতে প্রবেশঃ ১৯৪৮ সালে।
- কারাভোগঃ ২৭ বছর
- ম্যান্ডেলা দিবসঃ ১৮ই জুলাই
- নোবেল পুরষ্কারঃ ১৯৯৩ সালে
- কয়েদি নম্বরঃ ৪৬৬৬৬৪ সালে
- বাংলাদেশ সফরঃ ১৯৯৭ সালে।
- ম্যান্ডেলা স্কয়ারঃ প্যারিস, ফ্রান্স
- প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্টঃ ১৯৯৪ সালে নির্বাচনের মাধ্যমে।
- নির্বাসিত ছিলেনঃ আটলান্টিক মহাসাগরের সেন্ট রোবেন দ্বীপে।
- রাজনৈতিক দলঃ “African National Congress”
- বিখ্যাত ভাষণঃ
“I am Prepared to Die”
“Don't call me, I will call you”
- বিখ্যাত গ্রন্থঃ
“Conversation myself”
“A Long Walk to Freedom”
- মৃত্যুঃ ২০১৩ খ্রিস্টাব্দে।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
'A Long Walk to Freedom' হলো দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলনের নেতা ও প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি নেলসন ম্যান্ডেলা-এর বিখ্যাত আত্মজীবনী, যেখানে তিনি তাঁর জন্ম থেকে প্রেসিডেন্ট হওয়া পর্যন্ত জীবনের সংগ্রাম, জেল জীবন, এবং দক্ষিণ আফ্রিকাকে বর্ণবাদী শাসন থেকে মুক্ত করে বহু-জাতিগত গণতন্ত্রে রূপান্তরের epic কাহিনী বর্ণনা করেছেন, যা স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার ও মানবতার এক অসাধারণ আখ্যান।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
ভারতের বিখ্যাত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন মহাত্মা গান্ধী, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, জওহরলাল নেহেরু, ইন্দিরা গান্ধী, এপিজে আব্দুল কালাম, সচিন টেন্ডুলকার, অমিতাভ বচ্চন এবং নরেন্দ্র মোদি, যারা রাজনীতি, শিল্প, সাহিত্য, খেলাধুলা ও বিজ্ঞানে ভারতের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের এক অমর জাতীয় নেতা এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। ২৩ জানুয়ারি ১৮৯৭ সালে ওড়িশার কটক শহরে এক বাঙালি কায়স্থ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। শিক্ষাজীবন শুরু করেন কটকের ব্যাপটিস্ট মিশন স্কুলে এবং পরে কটকের রাভেনশো কলেজিয়েট স্কুল ও কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে অধ্যয়ন করেন। তিনি কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএ ডিগ্রি লাভ করেন এবং মানসিক ও নৈতিক বিজ্ঞানে পারদর্শী হন। তার পিতামাতার সমর্থন না থাকলেও তিনি ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামে যুক্ত হন।
নেতাজি পরপর দু’বার ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হন। তবে মহাত্মা গান্ধীর অহিংসা ও সত্যাগ্রহ নীতির প্রতি তার অভিন্ন বিশ্বাস না থাকার কারণে তিনি কংগ্রেস ত্যাগ করেন এবং অল ইন্ডিয়া ফরওয়ার্ড ব্লক প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি বিশ্বাস করতেন যে ভারতের পূর্ণ স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র সংগ্রামের পথ গ্রহণ করা অপরিহার্য। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি ব্রিটিশ বিরোধী কূটনীতি ও জাপানের সহায়তায় আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠন করেন এবং তার নেতৃত্বে ফৌজ ব্রিটিশ বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই চালায়।
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর বিখ্যাত উক্তি, “তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেবো,” তার সংগ্রামী মনোভাবের প্রতিফলন। ১৮ আগস্ট ১৯৪৫ সালে তিনি জাপানের তাইওয়ানে একটি বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেন। তার কর্ম ও ত্যাগ ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসে চিরস্মরণীয়। সুভাষচন্দ্র বসু নেতাজি নামে সমধিক পরিচিত ছিলেন এবং ভারতের স্বাধীনতার জন্য তার অবদান আজও সম্মানিত।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- ভারতের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- অমৃতস্বর স্বর্ণমন্দিরে তিনি অপারেশন ব্লু-স্টার পরিচালনা করেন।
- অমৃতস্বর স্বর্ণমন্দির শিখদের প্রধান ধর্মীয় স্থান।
- ১৯৮৪ সালে নিজ দেহরক্ষী সাতওয়ান্ত সিং এবং বিআন্ট সিং এর গুলিতে নিহত হন।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৬১-১৯৪১)
বিবিসির জরিপে (২০০৪) সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালির তালিকায় ২য় স্থান প্রাপ্ত নোবেল জয়ী বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিভা, সব্যসাচী লেখক, কবি, নাট্যকার, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, সঙ্গীত রচয়িতা, সুরস্রষ্টা, গায়ক, চিত্রশিল্পী, অভিনেতা, সমাজসেবী, শিক্ষাবিদ, গ্রামীণ ক্ষুদ্রঋণ ও গ্রাম উন্নয়ন প্রকল্পের পথিকৃৎ। ১৯৩০ সালে জার্মানিতে আইনস্টাইনের সাথে সাক্ষাৎ হয়। সাক্ষাতে তিনি দর্শন, মানুষ ও বিজ্ঞান নিয়ে আলোচনা করেন। বাংলাদেশের শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ), শিলাইদহ (কুষ্টিয়া), পতিশ্বর (নওগাঁ) ইত্যাদি তাঁর স্মৃতিবিজড়িত স্থান।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যকর্ম
| সাহিত্যিক উপাদান | সাহিত্যিক তথ্য |
|---|---|
| জন্ম | রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ৭ মে, ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দে (বাংলা- ২৫ বৈশাখ, ১২৬৮) কলকাতার জোড়াসাঁকোর বিখ্যাত ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মশতবার্ষিকী পালিত হয় ১৯৬১ সালে। |
| পারিবারিক পরিচিতি | রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতামহ- প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর, পিতামহি- দিগম্বরী দেবী, পিতা- দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ও মাতা- সারদা দেবী। তিনি পিতা-মাতার ১৫জন সন্তানের মধ্যে ১৪তম সন্তান এবং ৮ম পুত্র। |
| বিবাহ | তিনি ৯ ডিসেম্বর, ১৮৮৩ সালে ঠাকুরবাড়ীর অধস্তন কর্মচারী বেণীমাধব রায় চৌধুরীর কন্যা ভবতারিণী দেবীকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর রবীন্দ্রনাথ নাম রাখেন মৃণালিনী দেবী । স্ত্রী ভবতারিণী দেবী খুলনার দক্ষিণডিহি গ্রামের মেয়ে । |
| সম্পাদনা | তিনি ‘সাধনা’ (১৮৯৪), ‘ভারতী' (১৮৯৮), ‘বঙ্গদর্শন’ (১৯০১), ‘তত্ত্ববোধিনী' (১৯১১) পত্রিকা সম্পাদনা করেন । |
| সাহিত্যিক ভাবধরা | সাহিত্যিক জীবনের শুরুতে তিনি বিহারীলাল চক্রবর্তীর অনুসারী ছিলেন। পরবর্তীতে তাঁর সাহিত্যে মধ্যযুগীয় বৈষ্ণব পদাবলি, উপনিষদ, দোঁহাবলি, লালনের বাউল গান ও রামপ্রসাদ সেনের শাক্ত পদাবলির প্রভাব পরিলক্ষিত হয়। |
| রাখিবন্ধন | হিন্দু-মুসলমান মিলনের লক্ষ্যে রবীন্দ্রনাথ ‘রাখিবন্ধন’ উৎসবের সূচনা করেন। |
| শ্রেষ্ঠ কাব্য | তাঁর শ্রেষ্ঠ কাব্য সংকলনের নাম ‘সঞ্চয়িতা' । |
| ‘নাইটহুড’ | ব্রিটিশ সরকার ৩ জুন, ১৯১৫ সালে রবীন্দ্রনাথকে ‘নাইটহুড’ বা ‘স্যার' উপাধি প্রদান করেন। পরবর্তীতে ১৩ এপ্রিল, ১৯১৯ সালে পাঞ্জাবের অমৃতসরের জালিয়ানওয়ালাবাগের হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তা বর্জন করেন। |
| বংশ পরিচয় | পিরালি ব্রাহ্মণ [বিধর্মীদের সংস্পর্শে এসে জাত হারানো ব্রাহ্মণরা হলেন পিরালি ব্রাহ্মণ]। (পারিবারিক উপাধি কুশারি)। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পূর্বপুরুষ জগন্নাথ কুশারি পিরালি ব্রাহ্মণ মেয়ে বিয়ে করলে হিন্দু ধর্ম থেকে বিচ্যুত হয় এবং সমাজচ্যুত করা হয়। তার ছেলে পঞ্চানন কুশারি ১৮ শতকের শুরুতে খুলনার দক্ষিণডিহি থেকে কলকাতার গোবিন্দপুরে এসে জেলে পাড়ার পুরোহিতের কাজ করা শুরু করেন। ফলে অনেকে ঠাকুর বলে ডাকেন । এছাড়াও ইংরেজদের বাণিজ্য তরীতে দ্রব্য উঠা-নামার কাজ করলে ইংরেজরাও তাকে ঠাকুর বলে ডাকতেন। তারই উত্তর প্রজন্ম দ্বারকানাথ ঠাকুর ইংরেজদের কাছ থেকে অর্থের পাশাপাশি 'প্রিন্স' উপাধি লাভ করেন। ক্রমান্বয়ে শত বছরের ব্যবধানে জেলে সম্প্রদায়ের পুরোহিত থেকে কলকাতার প্রভাবশালী পরিবারে পরিণত হয়। |
| ছদ্মনাম | রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মোট ৯টি ছদ্মনাম পাওয়া যায়। যথা: ভানুসিংহ ঠাকুর, অকপট চন্দ্র ভাস্কর, আন্নাকালী পাকড়াশী, ষষ্ঠীচরণ দেবশর্মা, বানীবিনোদ বিদ্যাবিনোদ, শ্রীমতি কনিষ্ঠা শ্রীমতি মধ্যমা, দিকশূন্য ভট্টাচার্য, নবীন কিশোর শর্মন। |
| উপাধি | রবীন্দ্রনাথকে যারা যেসব উপাধিতে ভূষিত করেন: গুরুদেব- মহাত্মা গান্ধী, কবিগুরু - ক্ষিতিমোহন সেন, বিশ্বকবি- ব্রহ্মবান্ধব উপাধ্যায় |
| পদক প্রাপ্তি | রবীন্দ্রনাথ যেখান থেকে যেসব পদক পান: ডি. লিট- ১৯১৩ ( কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়), ডি. লিট ১৯৩৫ ( কাশী বিশ্ববিদ্যালয়), ডি. লিট- ১৯৩৬ ( ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়), ডি. লিট- ১৯৪০ (অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়)। |
| ব্রহ্মচর্যাশ্রম | ব্রহ্মচর্যাশ্রম ১৯০১ সালে শান্তিনিকেতন (বোলপুরে) প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে এটি ১৯২১ সালে ‘বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়' এ রূপান্তরিত হয়। |
তিনি ৭ আগস্ট, ১৯৪১ সালে (বাংলা- ২২ শ্রাবণ, ১৩৪৮) দুপুর ১২টা ১০মিনিটে মৃত্যুবরণ করেন।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
টি.এস. এলিয়ট
ডব্লিউ বি. ইয়েটস
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
বুদ্ধদেব বসু
রাজা রামমোহন রায় (১৭৭২-১৮৩৩)
- রাজা রামমোহন রায় ২২ মে, ১৭৭২ সালে হুগলী জেলার রাধানগর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর ছদ্মনাম শিবপ্রসাদ রায়। পিতা- রাধাকান্ত রায়, মাতা- তারিণী দেবী।
- তিনি পাঠ্য পুস্তকের বাইরে সর্বপ্রথম বাংলা গদ্যরীতির ব্যবহার করেন ।বাংলা প্রবন্ধ রচনার প্রথম কৃতিত্ব রাজা রামমোহন রায়ের।
- তিনি ‘ব্রাহ্মণ সেবধি’ (১৮২১), ‘সম্বাদ কৌমুদী' (১৮২১), ‘মিরাৎ-উল-আখবার’ (১৮২২) পত্রিকা সম্পাদনা করেন ৷
- তার একেশ্বরবাদের ওপর আরবি ও ফারসি ভাষায় লিখিত ‘তুহফাৎউল মুয়াহহিদ্দীন' ১৮০৩ সালে প্রকাশিত হয় ।
- তিনি ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৮৩৩ সালে মেনিনজাইটিসে আক্রান্ত হয়ে ইংল্যান্ডের ব্রিস্টলে মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর দশ বৎসর পর দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর 'আনসার ডেল' নামক স্থানে তার সমাধিস্থ করে একটি মন্দির প্রতিষ্ঠা করে দেন। ১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দে মধ্য ব্রিস্টলে তার একটি মূর্তি স্থাপন করা হয়।
রাজা রামমোহন রায় কী কী প্রতিষ্ঠা করেন ?
- একেশ্বর উপাসনার লক্ষ্যে ‘আত্মীয়সভা'- ১৮১৫ ।
- দেশে পাশ্চাত্য শিক্ষা বিস্তারের লক্ষ্যে ‘হিন্দু কলেজ’- ১৮১৭।
- প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুরের সহায়তায় ‘ব্রাহ্ম-সমাজ’- ১৮১৮ ।
- ‘ইউনিটারিয়ান কমিটি' নামক ধর্মসভা- ১৮২১।
- ‘অ্যাংলো হিন্দু স্কুল’-১৮২৩।
রামমোহন রচিত ব্যাকরণ কোনটি ?
রামমোহন রচিত ব্যাকরণ ‘গৌড়ীয় ব্যাকরণ' (১৮৩৩): এটি ১৮২৬ সালে প্রথম ইংরেজিতে প্রকাশিত হয় ।
রামমোহন রচিত সাহিত্যকর্মসমূহ
- ‘বেদান্ত গ্রন্থ’ (১৮১৫): এটি তাঁর প্রথম গ্রন্থ। পৌত্তলিকতা যে হিন্দু ধর্মের মুখ্য বিষয় নয়, ব্রহ্মই একমাত্র তত্ত্ব ও উপাস্য তা প্রমাণের জন্য তিনি এ গ্রন্থটি রচনা করেন।
- ‘গোস্বামীর সহিত বিচার' (১৮১৮): সতীদাহ প্রথার অসারতা প্রসঙ্গে।
- ‘প্রবর্তক ও নিবর্তকের সম্বাদ' (১৮১৮): সতীদাহ প্রথার অসারতা প্রসঙ্গে ।
- ‘বেদান্তসার’ (১৮১৫), ‘ভট্টাচার্যের সহিত বিচার' (১৮১৭)।
রামমোহন কোন বিষয়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেন ?
১৯২৩ সালে সংবাদপত্র বিধি (Press Ordinance) পাশ হলে তিনি এর বিরূদ্ধে আন্দোলন শুরু করেন। এর বিরূদ্ধে একটি প্রতিবাদ লিপি তিনি সুপ্রিম কোর্টে দাখিল করেন এবং এর কপি ইংল্যান্ডের প্রিভি কাউন্সিলে প্রেরণ করেন।
| বেদান্ত গ্রন্থ | রাজা রামমোহন রায় |
| বেদান্তসার | রাজা রামমোহন রায় |
| বেদান্ত চন্দ্রিকা | মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার |
সতীদাহ প্রথা কী ? এ প্রথা বন্ধে কে ভূমিকা রাখেন ?
সতীদাহ অর্থ সহমরণ। স্বামীর সাথে একই চিতায় স্ত্রীকে দাহ করার রীতিই সতীদাহ প্রথা। সনাতন ধর্মে এ প্রথা বহুল প্রচলিত ছিল, যা মধ্যযুগীয় বর্বরতাকেও হার মানায়। এ অমানবিক প্রথা বন্ধে প্রথম পদক্ষেপ গ্রহণ করেন রাজা রামমোহন রায়। তিনি এর বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেন এবং লেখনী ধারন করেন। সতীদাহ প্রথার অসারতা প্রসঙ্গে তিনি ‘গোস্বামীর সহিত বিচার' (১৮১৮), ‘প্রবর্তক ও নিবর্তকের সম্বাদ' (১৮১৮) সহ বিভিন্ন পুস্তক রচনা করে সামাজিক আন্দোলন শুরু করেন। ৪ ডিসেম্বর, ১৮২৯ খ্রিস্টাব্দে রাজা রামমোহন রায়ের প্রচেষ্টায় বৃটিশ সরকার সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধ করেন। মোগল বাদশা দ্বিতীয় আকবর তাঁর দাবি-দাওয়া ব্রিটিশ সরকারের নিকট তুলে ধরার জন্য ১৮৩০ সালে রাজা রামমোহন রায়কে ব্রিটেনে পাঠান এবং এ উপলক্ষে সম্রাট তাকে ‘রাজা’ উপাধি প্রদান করেন
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ (৫ নভেম্বর ১৮৭০ - ১৬ জুন ১৯২৫) ছিলেন একজন বাঙালি আইনজীবী, রাজনীতিবিদ, স্বাধীনতা সংগ্রামী, কবি ও লেখক। তিনি স্বরাজ্য পার্টি-র প্রতিষ্ঠাতা। তার সময়ের অন্যতম বৃহৎ অঙ্কের আয় অর্জনকারী আইনজীবী হওয়া সত্ত্বেও তিনি তার সম্পদ অকাতরে সাহায্যপ্রার্থীদের কাছে বিলিয়ে দিয়ে বাংলার ইতিহাসে দানবীর হিসাবে সুপরিচিত হয়ে আছেন। তিনি "দেশবন্ধু" নামে জগৎ বিখ্যাত হয়ে আছেন।
১৯২৫ সালের ১৬ই জুন চিত্তরঞ্জন দাশ মৃত্যুবরণ করেন। উদার মতবাদ ও দেশের প্রতি দরদের কারণে তিনি হিন্দু মুসলমান সকলের শ্রদ্ধা ও ভালবাসা অর্জন করেন এবং তার এই উদার মতবাদের জন্য জনগণ তাকে দেশবন্ধু খেতাবে ভূষিত করেন।
- ভারতের জাতির জনক ও অহিংস আন্দোলনের প্রবক্তা।
- তাঁর জন্ম তারিখ ২ অক্টোবর 'আন্তর্জাতিক অহিংস দিবস'।
- প্রকৃত নাম- মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী
- 'মহাত্মা' উপাধি দেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর গান্ধী আশ্রম অবস্থিত নোয়াখালী জেলায়।
- তিনি কখনোই রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হননি।
- মহাত্মা গান্ধী সম্পাদিত পত্রিকার নাম- 'ইন্ডিয়ান অপিনিয়না।
- "মাহাত্মা গান্ধী' ১৯১৭ সালে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন- দক্ষিন আফ্রিকায়।
- কংগ্রেস এর সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯২১ সালে।
- সত্যাগ্রহ আন্দোলন করেন ১৯০৬ সালে।
- ১৯৪৮ সালে 'নথুরাম গডসে' নামক এক সন্ত্রাসী হিন্দু আততায়ীর গুলিতে নিহত হন।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
মালাধর বসু বা গুণরাজ খাঁ হলেন একজন মধ্যযুগীয় বাঙালি কবি। তিনি ছিলেন পঞ্চদশ শতাব্দীর একজন কবি। তিনি প্রথম বাংলা ভাষায় ভাগবত পুরাণ বা ভাগবত অনুবাদ করেন। তার অনূদিত কাব্যটির নাম শ্রীকৃষ্ণবিজয়, যা তিনি ১৪৭৩ সাল থেকে ১৪৮০ সালের মধ্যে রচনা করেন। মালাধর বসুই ভাগবতের প্রথম অনুবাদক। তার আগে বাংলা ব্যতীত অন্য কোনো ভাষায় ভাগবত অনূদিত হয়নি।
ভাগবত ১২ খণ্ডে রচিত এবং এর শ্লোকসংখ্যা ৬২০০০। হিন্দুধর্মের এই পবিত্র ধর্মগ্রন্থটি বাংলায় অনুবাদ করেন মালাধর বসু। এজন্য তিনি বাদশাহ রুকনউদ্দিন বরবক শাহের কাছ থেকে ‘গুণরাজ খান' উপাধি লাভ করেন। তাঁর ভাগবতের নাম ‘শ্রীকৃষ্ণবিজয়’।
সংস্কৃত ভাষায় রচিত ভাগবত বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের নিকট পরম পবিত্র গ্রন্থ। এটি পুরাণ নামক সংস্কৃত সাহিত্যের অন্তর্গত। পুরাণের পাঁচটি লক্ষণ - সর্গ, প্রতিসর্গ, বংশ, মন্বন্তর ও বংশানুচরিত অর্থাৎ সৃষ্টিতত্ত্ব, প্রলয়ের পরবর্তী সৃষ্টিকাহিনী, দেবগণের জন্মবৃত্তান্ত, মনুর অধিকারকাল হিসাবে যুগবিভাগ, রাজাদের বংশকাহিনী ও কার্যকলাপ - কমবেশি ভাগবতে স্থান পেয়েছে। কৃষ্ণের জন্ম, বাল্য, কৈশোর ও যৌবনের ঐশ্বরিক কার্যকলাপ এবং দেহত্যাগের কথা এই গ্রন্থে বর্ণিত । ভগবান বিষ্ণু কৃষ্ণরূপে জন্মগ্রহণ করে যে অদ্ভুত কাজগুলো অনায়াসে সম্পন্ন করেছেন সেগুলো কাব্যরূপে ও পাণ্ডিত্যে সমৃদ্ধ হয়ে ভাগবতে পরিবেশিত হয়েছে।
বেদের মন্ত্রসমূহ বিন্যাস করে যিনি বেদব্যাস আখ্যা পেয়েছেন তিনি অতি প্রাচীন ঋষি এবং হিন্দুসমাজের সর্বাপেক্ষা মাননীয় পণ্ডিত। তাই মহাভারত এবং পুরাণসমূহ ও ভাগবতের রচয়িতারূপে ব্যাসকে নির্দিষ্ট করে গ্রন্থগুলোর পবিত্রতা ও গুরুত্ব বৃদ্ধির ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে এত বিপুল বৃহৎ কলেবরে বিভিন্ন গ্রন্থ রচনা একজনের পক্ষে রচনা অসম্ভব বলেই যুক্তিসংগত। এজন্য সংস্কৃত ভাগবতের বা ধর্মীয় গ্রন্থ প্রণেতাদের যথার্থ নাম ও কাল চিরদিনের জন্য অজ্ঞাত থেকে গিয়েছে।
মালাধর বসুর পিতার নাম ভগীরথ এবং মাতার নাম ইন্দুমতী। তাঁর জন্ম কায়স্থ বংশে এবং বসতি ছিল বর্ধমান জেলার জামালপুর থানার মেমারী রেলস্টেশনের অনতিদূরে কুলীন গ্রামে। তাঁর একজন পুত্রের উপাধি ছিল ‘সত্যরাজ খান'।
- এপিজে আব্দুল কালাম আজাদ- ভারতের পারমাণবিক বোমার জনক।
- তিনি ভারতের একাদশ রাষ্ট্রপতি ছিলেন।
- তার উপাধি- Missile Man
- ভারত পারমাণবিক বোমার প্রথম বিস্ফোরণ ঘটায়- ১৯৭৪ সালে রাজস্থানের পোখরানে।
- আত্মজীবনী- Wings of Fire
- তাঁর বিখ্যাত উক্তি- “ Dreams are not what you see in your sleep, dream are things which do not let you sleep"
- স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী।
- ভারতের স্বাধীনতার সময়কালে কংগ্রেস সভাপতি।
- জওহরলাল নেহেরু পঞ্চশীল নীতির অন্যতম প্রবক্তা।
- তিনি বলেন, দেশ ভালো হয়, যদি দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ভালো হয়।
বিখ্যাত রচনা-
- The Discovery of India
- An Autobiography (আত্মজীবনী)
- Glimpses of World History
পাকিস্তানের বিখ্যাত ব্যক্তিত্বদের মধ্যে রয়েছেন দেশটির প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ, জাতীয় কবি আল্লামা ইকবাল, নোবেল বিজয়ী শিক্ষা কর্মী মালালা ইউসুফজাই, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও ক্রিকেটার ইমরান খান, এবং বেনজির ভুট্টো, ওয়াসিম আকরাম, ফাতেমা জিন্নাহ-এর মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা, যারা রাজনীতি, খেলাধুলা, সাহিত্য ও সমাজসেবায় অবদান রেখেছেন।
- কবি ও দার্শনিক
- পাকিস্তানে ইসলামিক আধাত্মিকতার জনক ।
- পাকিস্তান রাষ্ট্রের মৌলিক রূপরেখা তৈরী করা হয় ১৯৩১ সালে
- উক্তি- “রাজনীতির মূল রয়েছে মানুষের আত্মিক জীবনের গভীরে”
- পাকিস্তানের জাতির জনক।
- ১৯৩৯ সালে দ্বি-জাতি তত্ত্ব প্রণয়ণ করেন।
- তিনি ছিলেন পাকিস্তানের প্রথম গভর্নর জেনারেল
- উক্তি - Urdu & urdu shall be the state language of Pakistan
- ১৯৭০ সালে নির্বাচনে PPP প্রধান হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
- ১৯৭৩ সালে তিনি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন
- ১৯৭৯ সালে তাকে ফাসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়
- পাকিস্তানের প্রথম মুসলিম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- মুসলিম বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী
- তাকে "Daughter of the East” বলা হয় ।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
চীনের বিখ্যাত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন দার্শনিক কনফুসিয়াস ও লাওৎসি, বিপ্লবী নেতা মাও সেতুং, প্রথম সম্রাট কিন শি হুয়াং, আধুনিক চীনের জনক সান ইয়াত-সেন, এবং সমসাময়িক ব্যক্তিত্ব যেমন জ্যাক মা (আলিবাবা), অভিনেতা জ্যাকি চ্যান ও জেট লি, বাস্কেটবল খেলোয়াড় ইয়াও মিং, এবং বর্তমান রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং, যারা রাজনীতি, দর্শন, শিল্পকলা, ব্যবসা ও ক্রীড়াক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী প্রভাব ফেলেছেন।
- তিনি চীনের প্রথম প্রেসিডেন্ট (১৯১১-১২)।
- চীনা বিপ্লবের নেতৃত্বদানকারী ব্যক্তিত্ব।
- ড. সান ইয়াৎ সেন চীন প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা ।
- কুওমিনটাং জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্ঠাতা।
- গণ চীন প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা- মাও সেতুং।
- চীনে 'কমিউনিস্ট বিপ্লব সংঘটিত হয়- ১৯৪৯ সালে।
- চীনের 'কমিউনিস্ট বিপ্লব'-এর নেতৃত্ব দেন- মাও সে তুং
- বিশ্বের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দলের নাম- চীনা কমিউনিস্ট পার্টি।
- মাও সে তুং এর নেতৃত্বে 'সাংস্কৃতিক বিপ্লব' (১৯৬৬) সালে হয়।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- মাও সে তুং এর মৃত্যুর পর দেং জিয়া পিং চীনের শীর্ষ নেতা হিসেবে আবির্ভূত হন।
- তিনি তিয়েন আনমেন স্কয়ারের আন্দোলন দমন করেন।
- স্নায়ুযুদ্ধের পর বিশ্বব্যাপী সমাজতন্ত্রের পতন ঘটলেও তিনি চীনকে রক্ষা করেন।
- দেং জিয়া পিং এর নেতৃত্বে চীনে হংকং ও ম্যাকাও-এর সংযুক্তি, 'এক দেশ দুই নীতি' প্রবর্তন হয়।
- তিনি পুঁজিবাদী অর্থনীতি গ্রহণে সম্মত হন ।
- চীনের পুঁজিবাদ তন্ত্রের প্রবর্তক ।
- ১৯৪৩-১৯৪৯ পর্যন্ত তিনি চীনের President ছিলেন।
- ১৯৪৯ সালে মাও সেতুং এর কমিউনিস্ট সরকারের সাথে যুদ্ধে পরাজিত হয়ে তাইওয়ানে বিপ্লবী সরকার প্রতিষ্ঠা করেন।
- দালাইলামাকে বলা হয় এশিয়ার নেলসন ম্যান্ডেলা'।
- দালাইলামা হলেন তিব্বতের বৌদ্ধ ধর্মীয় নেতা।
- দালাইলামা শব্দের অর্থ মহাসাগর।
- দালাইলামা ১৯৫৯ সালে ভারতে পালিয়ে যায়।
- ১৯৬৯ সালে তিনি চীনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
ইরানের বিখ্যাত ব্যক্তিত্বদের মধ্যে রয়েছেন ঐতিহাসিক শাসক সাইরাস দ্য গ্রেট, কবি ও দার্শনিক ওমর খৈয়াম ও রুমি, বিজ্ঞানী ইবনে সিনা, এবং আধুনিক ইরানের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব যেমন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি ও বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেয়ী, এছাড়া চলচ্চিত্র নির্মাতা আব্বাস কিয়ারোস্তামি ও আসগার ফারহাদি প্রমুখ, যারা সাহিত্য, বিজ্ঞান, রাজনীতি ও শিল্পকলায় অবদান রেখেছেন।
- ইরানের ইসলামী বিপ্লবের অগ্রনায়ক
- ইরানে ইসলামী বিপ্লবের মাধ্যমে রাজতন্ত্রের অবসান ঘটান
- ১৯৮৯ সালে মৃত্যু বরণ করেন।
- ইরানের সর্বশেষ রাজা (১৯৪১-১৯৭৯) সাল। ১৯৭৯ সালে।
- ইসলামী বিপ্লবের মাধ্যমে তাকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয় ।
- ১৭৩৬ সালে ইরানের সিংহাসন দখল করে বিশাল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
- দিল্লি আক্রমণ করে ময়ূর সিংহাসন এবং কোহিনুর হীরা নিয়ে যান।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- জন্মগ্রহণ করেন- ১২১৭ সালে, তৎকালীন মোঙ্গল সাম্রাজ্যে
- ইলখানি বংশের প্রতিষ্ঠাতা।
- মোঙ্গলীয় নেতা চেঙ্গিস খানের পৌত্র।
- মোঙ্গলবাহিনীর নেতৃত্বে তিনি পারস্য দখল করেন।
- ইরানের মানবাধিকার কর্মী।
- তিনি ইরানের শিয়া মুসলিম।
- নোবেল পুরস্কার বিজয়ী প্রথম মুসলিম নারী।
- ২০০৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- শিরিন এবাদি বাংলাদেশে আসেন ২০১৮ সালে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
রাশিয়ার বিখ্যাত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন ঐতিহাসিক শাসক যেমন ইভান দ্য টেরিবল, পিটার দ্য গ্রেট, এবং ক্যাথরিন দ্য গ্রেট; বিপ্লবী ও রাজনীতিবিদ যেমন লেনিন, স্টালিন, এবং গর্বাচেভ; সাহিত্যিক যেমন লিও টলস্টয়, দস্তয়োভস্কি, এবং আন্তন চেখভ; সুরকার যেমন পিওতর ইলাইচ চাইকোভস্কি; মহাকাশচারী ইউরি গ্যাগারিন; এবং আধুনিক ব্যক্তিত্ব যেমন বর্তমান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও হকি খেলোয়াড় আলেকজান্ডার Ovechkin।
- রুশি বিপ্লবের নেতা।
- বিখ্যাত উক্তি “ একটি মিথ্যা বারবার বলা হলে তা সত্যে পরিণত হয়"।
- লেনিন এর মৃতদেহ সংরক্ষিত আছে- মস্কোর রেড স্কোয়ারে ।
- তিনি মৃত্যুবরণ করেন- ১৯২৪ সালে।
- আধুনিক রাশিয়া জনক পিটার দ্যা গ্রেট।
- তিনি দাড়ির উপর কর বসিয়েছিলেন- পিটার।
- নৌ বাণিজ্যের সুবিধার্থে ১৭০৩ সালে প্রতিষ্ঠিত করেন সেন্ট পিটার্সবার্গ শহর যা পরবর্তিতে রাজধানী হয়।
- ভস্তক -১ নামক কৃত্রিম নাভোযানে চড়ে পৃথিবী প্রদক্ষিণ করেন
- ইউরি গ্যাগরিন মহাশুন্যে যান ১৯৬১ সালে।
- তিনি বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হন ১৯৬৮ সালে।
- USSR এর সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট।
- ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে যায় তার সময়ে।
- তিনি গ্লাসনস্ত ও পেরেস্ত্রইকা নীতির প্রবক্তা ।
- মারা যান ৩০ আগস্ট, ২০২২ সালে।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
প্রতিরক্ষা কর্মসূচি
পররাষ্ট্রনীতি
সংস্কার কর্মসূচি
উপাধি
- ম্যাক্সিম গোর্কি লেনিনের মতবাদ দ্বারা প্রভাবিত ছিলেন। :
সাহিত্যকর্ম
- মা (উপন্যাস)
- আমার ছেলেবেলা
- পৃথিবীর পাঠশালা ও ‘ঝড়ো পাখির গান'
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- খ্যাতিমান সোভিয়েত লেখক।
তার বিখ্যাত উপন্যাস :
- ওয়ার এন্ড পিস (War and peace)
- আন্না কারোনিয়া (Anna Karenina)
- পুনরুত্থান
- পুতিন ১৯৫২ সালে লেলিনগ্রাদে জন্মগ্রহণ করে।
- তিনি ইউনাইটেড রাশিয়া দলের সভাপতি।
- তিনি রাশিয়ার জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (KGB) তে কর্মরত ছিলেন।
- ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া দখল করেন এবং ২০২২ সালে লুহানস্ক ও দোনেৎস্কে স্বাধীনতা ঘোষনা করে।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
SALT
INF Treaty
New START
START
জার্মানির বিখ্যাত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন বিজ্ঞানী অ্যালবার্ট আইনস্টাইন, সুরকার লুডভিগ ভ্যান বিথোভেন, দার্শনিক কার্ল মার্কস, সংস্কারক মার্টিন লুথার, সাহিত্যিক ইয়োহান ভল্ফগাং ফন গ্যোটে, এবং রাজনীতিবিদ অটো ফন বিসমার্ক ও অ্যাঙ্গেলা মার্কেল, এছাড়াও বিখ্যাত ব্যক্তিত্বদের মধ্যে আছেন বার্থা বেঞ্জ, জোহানেস গুটেনবার্গ, ব্রাদার্স গ্রিম, অ্যাডলফ হিটলার, এবং ফ্রিডরিখ নিৎশে প্রমুখ, যারা বিজ্ঞান, শিল্পকলা, দর্শন, সাহিত্য, রাজনীতি এবং খেলাধুলায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
- জার্মান ইহুদী পদার্থবিদ
- থিওরি অব রিলেটিভিট বা অপেক্ষিকবাদ তত্ত্বেও প্রণেতা
- ১৯২১ সালে ফটো তরিৎ ক্রিয়ার জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- E=mc2 এই সূত্রের জন্য তিনি বিখ্যাত।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- আধুনিক সমাজতন্ত্রের জনক ।
- তাঁর বিখ্যাত রচনা Das Capital.
- উদ্বৃত্ত মূল্যতত্ত্ব ও দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ এর প্রবক্তা।
- রুশ বিপ্লবে অনুপ্রেরণা যুগিয়ে ছিল - Das Capital গ্রন্থটি।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- বিসমার্ক আধুনিক জার্মানির জনক।
- তিনি জার্মানিকে ‘পরিতৃপ্ত দেশ" হিসেবে ঘোষণা করেন।
- Blood and Iron Policy পলিসির প্রবক্তা ।
- লৌহ বৈদেশিক নীতির জন্য বিসমার্ককে 'আয়রন চ্যান্সেলর' বলা হয়।
- জার্মান ধর্মতত্ত্ববিদ ও সংস্কারক।
- খ্রিস্টধর্মের অনুসারীরা দুইভাগে বিভক্ত- ক্যাথলিক ও প্রোটেস্ট্যান্ট।
- তিনি প্রোটেস্ট্যান্ট ধর্মের প্রবক্তা।
- ক্যাথলিকগণ হলো পোপের অনুসারী।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
ফ্রান্সের বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গের মধ্যে আছেন নেপোলিয়ন বোনাপার্ট, মারি ক্যুরি, ভলতেয়ার, জোন অফ আর্ক, শার্ল দ্য গল, গুস্তাভ আইফেল, লুই পাস্তুর, কোকো শানেল, এদিতের পিয়াফ, জুল ভার্ন, রেনে দেকার্ত, সিমোন দ্য বোভোয়ার, আলবেয়ার কামু, জিনেদিন জিদান, এমানুয়েল মাক্রোঁ, প্রমুখ, যারা সামরিক, বৈজ্ঞানিক, সাহিত্যিক, রাজনৈতিক ও শৈল্পিক ক্ষেত্রে বিশ্বজুড়ে অবদান রেখেছেন।
- নেপোলিয়ন বোনাপার্টের জন্ম- ভূমধ্যসাগরে ফ্রান্সের কর্সিকা দ্বীপে।
- ১৭৯৯ সালে ফ্রান্সের প্রথম কনসাল (First Consul) হয়।
- ১৮০৪ সালে নিজেকে ফ্রান্সের সম্রাট ঘোষণা করেন।
- ১৮১৫ সালে ওয়াটার লু যুদ্ধে বৃটেনের নিকট পরাজিত হন।
- সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসিত অবস্থায় ১৮২১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
নেপোলিয়নের উল্লেখযোগ্য যুদ্ধ :
- ট্রাফালগারের যুদ্ধ (১৮০৫)
- লিপজিগের যুদ্ধ (১৮১৩)
- ওয়াটার লু'র যুদ্ধ (১৮১৫)
বিখ্যাত উক্তি
- Impossible is a word which is found in a fool's dictionary.
- Give me a good mother, I will give you good nation.
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- দার্শনিক ও সমাজ সংস্কারক
- রোমান্টিক আন্দোলনের জনক বলা হয়।
- ফরাসী বিপ্লবের শ্লোগান- 'Liberty. Equality and Fraternity' এর প্রবক্তা।
- তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ- The Social Contract.
- ভলটেয়ার ফ্রান্সের বিখ্যাত মানবতাবাদী দার্শনিক।
বিখ্যাত গ্রন্থ-
- Annals of the Empire
- Candide
উপর্যুক্ত গ্রন্থ দুটি ফরাসী বিপ্লবের অন্যতম নিয়ামক গ্রন্থ।
- মন্টেঙ্কু ফরাসী রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও দার্শনিক।
- ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতির প্রবক্তা।
বিখ্যাত গ্রন্থ-
- The Spirit of the Laws
- Persian Letters
- জ্যাঁ পল সাত্রে ফরাসী সাহিত্যিক ও দার্শনিক।
- ১৯৬৪ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েও তা প্রত্যাখ্যান করেন ।
বিখ্যাত উপন্যাস-
- “The More ”
- "The Victors"
- ফ্রান্সের স্বাধীনতা সংগ্রামের অগ্রনায়ক।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ১৯৪০ সালে জার্মানী নাৎসি বাহিনীর হাতে ফ্রান্সের পতন হলে চার্লস ডি গ্যালে (Free France Forces) গঠন করেন।
- তিনি ফ্রান্স রিপাবলিকের ১৮তম প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
- জীবাণু তত্ত্বের জনক ।
বিখ্যাত আবিষ্কার-
- জলাতঙ্ক রোগের টীকা
- পাস্তুরাইজেশন পদ্ধতি
- এনথ্রাক্স রোগের কারণ ও এর প্রতিষেধক প্রভৃতি
- কুখ্যাত স্বৈরশাসক।
- ১৬৪৩-১৭১৫ সাল পর্যন্ত ৭২ বছর ফ্রান্স শাসন করেন।
- বিখ্যাত উক্তি হচ্ছে- আমিই রাষ্ট্র।
সের বিখ্যাত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন প্রাচীনকালের প্রভাবশালী দার্শনিক সক্রেটিস, প্লেটো, ও অ্যারিস্টটল, বিশ্বজয়ী সেনাপতি আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট, মহাকাব্য রচয়িতা হোমার, গণিতবিদ ও বিজ্ঞানী আর্কিমিডিস, বিখ্যাত ভাস্কর ও চিত্রশিল্পী এল গ্রেকো, কবি কনস্ট্যান্টিন ক্যাভাফি, এবং আধুনিককালের উদ্যোক্তা অ্যারিস্টটল ওনাসিস ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব অ্যারিয়ানা হাফিংটন।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- বিখ্যাত গ্রিক দার্শনিক।
- বিখ্যাত উক্তি “Know thyself "
- প্লেটোর শিক্ষক ছিলেন ।
- 'হেমলক' নামক বিষপানে তাকে হত্যা করা হয় ।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- বিখ্যাত গ্রীক দার্শনিক।
- এরিস্টটলের শিক্ষক ছিলেন সক্রেটিস।
- তার প্রতিষ্ঠিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান- অ্যাকাডেমি
- বিখ্যাত গ্রন্থ- রিপাবলিক
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
সক্রেটিস
প্লেটো
জন লক
এরিস্টটল
- বিখ্যাত গ্রীক দার্শনিক।
- প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান- লাইসিয়াম
- বিখ্যাত গ্রন্থ- পলিটিকস
- তিনি আলেকজান্ডারের গৃহশিক্ষক ছিলেন।
- রাষ্ট্রবিজ্ঞান, প্রাণিবিদ্যা ও জীববিদ্যার জনক।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- আলেকজান্ডার মেসিডোনিয়ার শাসক ।
- মাত্র ২০ বছর বয়সে তিনি সিংহাসনে বসেন
- ইরান হয়ে মধ্য এশিয়ায় প্রবেশ করেন।
- খ্রিস্টপূর্ব ৩২৭ অব্দে ভারতবর্ষ আক্রমণ করে দখল করেন।
- সাম্রাজ্যের রাজধানী স্থাপন করেন- ব্যবিলনে।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- প্রাচীন রোমান কবি ছিলেন।
- রোমান সম্রাজ্যের জাতীয় মহাকাব্য ইনিড (Aeneid) রচনা করেন।
- বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম- Georgies & Bucolics
- হোমার গ্রীসের অন্ধ মহাকবি ।
- ‘ইলিয়াট’ ও ‘ওডেসি’তার দু'টি মহাকাব্য ।
বিখ্যাত উক্তি-
- “প্রতিটি দুঃখী আত্মা সততার প্রতীক”
- “অসৎ আনন্দের চেয়ে পবিত্র বেদনা ভালো”
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
ইতালির বিখ্যাত ব্যক্তিত্বদের মধ্যে রয়েছেন বিশ্বখ্যাত শিল্পী ও বিজ্ঞানী যেমন লিওনার্দো দা ভিঞ্চি, মাইকেলেঞ্জেলো, গ্যালিলিও গ্যালিলি, এবং আবিষ্কারক ক্রিস্টোফার কলম্বাস ও মার্কো পোলো; বিপ্লবী নেতা জুসেপ্পে গারিবালদি; রাজনীতিবিদ বেনিতো মুসোলিনি; সঙ্গীতজ্ঞ আন্তোনিও ভivaldi, গিউসেপ ভার্দি, লুসিয়ানো পাভারোত্তি; এবং অভিনেত্রী সোফিয়া লরেন।
- ইতালির কবি, ভাস্কর এবং চিত্রশিল্প
বিখ্যাত চিত্রকর্ম-
- Madonna of the Steps
- David
- The creation of Adam
- Madonna of Bruges,
- The Deposition
- তিনি রেনেসাঁ ম্যান হিসেবে পরিচিত।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- ইতালির রেনেসাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ পুরুষ
- তিনি ছিলেন একাধারে চিত্রশিল্পী, ভাস্কর, অঙ্কশাস্ত্রবিদ, বিজ্ঞানী ও দার্শনিক।
- উড়োজাহাজের প্রথম নক্সা অঙ্কন করেছিলেন।
- দ্য লাস্ট সাপার
- মোনালিসা
- ভার্জিন অব দ্য রকস
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- ইতালির ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রপ্রধান।
- হিটলারের বন্ধু ও সহযোগী।
- তিনি ফ্যাসিবাদের প্রবক্তা।
- বিখ্যাত উক্তি 'এককালীন শান্তিও সম্ভব নয়, সংগতও নয়'।
তার বিখ্যাত গ্রন্থ-
- Prisoners Notebook
- পৃথিবী বিখ্যাত বিজ্ঞানী ।
- আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানের প্রাণপুরুষ।
- টেলিস্কোপ বা দূরবীক্ষণ যন্ত্রের আবিষ্কারক।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত ব্যক্তিত্বদের মধ্যে রয়েছেন জর্জ ওয়াশিংটন, আব্রাহাম লিংকন, ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট, থমাস জেফারসনের মতো ঐতিহাসিক রাষ্ট্রপতিগণ এবং বারাক ওবামা ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো আধুনিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, এছাড়া কমলা হ্যারিসের মতো গুরুত্বপূর্ণ নারী নেত্রী; এঁরা নিজ নিজ ক্ষেত্রে দেশের ইতিহাসে গভীর প্রভাব রেখেছেন, যেখানে ওয়াশিংটন ও লিংকন দেশের ভিত্তি স্থাপন ও গৃহযুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়েছেন, ওবামা ও ট্রাম্প আধুনিক আমেরিকার রাজনীতিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছেন, এবং হ্যারিস প্রথম নারী ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে ইতিহাস গড়েছেন।
- আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট নিক্সনের নিরাপত্তা উপদেষ্টা।
- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তাঁর নেতিবাচক ভূমিকা ছিল।
- তাঁর প্রচেষ্টায় ১৯৭৩ সালের ২৭ জানুয়ারি ভিয়েতনামে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এজন্য তিনি ১৯৭৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- তার গ্রন্থের নাম The White House Years
স্যামুয়েল পি. হান্টিংটন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন প্রসিদ্ধ রাষ্ট্রবিজ্ঞানী। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেন। তিনি নব্বইয়ের দশকে 'সভ্যতার সংঘাত' (clash of civilizations) নামক তত্ত্বের জন্ম দেন, যেটি পরবর্তীতে সেপ্টেম্বর ১১-র সন্ত্রাসী হামলার পর তাঁকে ব্যাপক পরিচিতি এনে দেয়।
- আমেরিকান বিজ্ঞানী।
- তিনি বৈদ্যুতিক বাতি আবিষ্কার করেন।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- তিনি আমেরিকার নিগ্রোদের অধিকার আন্দোলনের অহিংসবাদী নেতা।
- ১৯৬৩ সালে ওয়াশিংটনে লং মার্চের দেন এবং I Have a Dream শীর্ষক বিখ্যাত ভাষণ প্রদান করেন।
- ১৯৬৮ সালের ৪ এপ্রিল গুপ্তঘাতক কর্তৃক নিহত হন।
- ২৯ আগস্ট, ২০১৩ সালে তাঁর বিখ্যাত ভাষণের পঞ্চাশ বছর পূর্ণ হয় ।
- আমেরিকান মুষ্টিযোদ্ধা।
- ১৯৬০ সালের অলিম্পিকে লাইট হেভিওয়েট মুষ্টিযুদ্ধে চ্যাম্পিয়ন হন।
- ১৯৭৮ সালে তিনি বাংলাদেশ সফর করেন।
- বাংলাদেশ সরকার তাঁকে সম্মানসূচক নাগরিকত্ব প্রদান করেন,
- মোহাম্মদ আলীর পূর্বনাম ছিল-'ক্যাসিয়াস ক্লে'।
- আধুনিক পদার্থ বিজ্ঞানের বরপুত্র নামে খ্যাত।
- স্টিফেন উইলিয়াম হকিং ১৯৪২ সালের অক্সফোর্ডে জন্মগ্রহণ করেন।
- মাত্র ২১ বছর বয়সে প্রাণঘাতি মটর নিউরন রোগে আক্রান্ত হয়।
- মহাবিশ্বের সৃষ্টিতত্ত্ব Black Holes, Big Bang তত্ত্ব প্রদান করে ।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
পদার্থবিদ
গণিত বিদ
ইতিহাসবিদ
রসায়নবিদ
- আমেরিকার প্রসিদ্ধ রাষ্ট্রবিজ্ঞানী।
- 'সভ্যতার সংঘাত' (Clash civilizations) নামক তত্ত্বের জন্ম দেন।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম নারী কৃষ্ণাঙ্গ ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস।
- বাবা জ্যামাইকান ও মা ভারতের তামিলনাড়ু থেকে আসা অভিবাসী।
- অভিবাসীর সন্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ১ম ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
১৭/১১/২০২১
১২/১১/২০২১
১৯/১১/২০২১
২২/১১/২০২১
জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেন যুক্তরাজ্যের গোডউইন জেব তিনি ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫ সাল থেকে ২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৬ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। উল্লেখ্য যে, এ্যাডউইন জেন ছিলেন ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব কিন্তু নির্বাচিত প্রথম মহাসচিব ছিলেন ট্রিগভেলী।
- নিজ দেশ নরওয়ে।
- প্রথম মহাসচিব ছিলেন।
- তিনি ইসরায়েলের নিকট গোপন সামরিক কূটনৈতিক নথি পাঠাতেন।
- কোরিয়া যুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক খারাপ থাকার কারণে তিনি পদত্যাগ করেন।
- নিজ দেশ- সুইডেন।
- কূটনীতিবিদ, অর্থনীতিবিদ এবং লেখক ছিলেন।
- কঙ্গোতে যাওয়ার সময় বর্তমান জাম্বিয়ায় পৌঁছলে বিমান দুর্ঘটনায় মারা যান
- ১৯৬১ সালে তিনি শান্তির জন্য মরণোত্তর নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- নিজ দেশ- মিয়ানমার।
- বর্মী কূটনীতিক ও তৃতীয় মহাসচিব।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন মহাসচিব ছিলেন।
- এশিয়া থেকে নির্বাচিত প্রথম মহাসচিব।
- নিজ দেশ অস্ট্রিয়া।
- চীনের ভেটো প্রদানের কারণে তিনি তৃতীয় মেয়াদে মহাসচিব নির্বাচিত হতে পারেননি।
- একমাত্র মহাসচিব যিনি পরবর্তীতে নিজ দেশের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন
- জাতিসংঘ মহাসচিব হিসেবে তিনিই প্রথম বাংলাদেশ সফর করেন।
পেরেজ দ্য কুয়েলার (Javier Pérez de Cuéllar) ছিলেন পেরুর একজন বিখ্যাত কূটনীতিক, যিনি ১৯৮২ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘের পঞ্চম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং স্নায়ুযুদ্ধের শেষ দশক ও তার পরবর্তী সময়ে ইরান-ইরাক যুদ্ধ, নামিবিয়ার স্বাধীনতা, এবং কম্বোডিয়া সংঘাত নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তিনি ছিলেন প্রথম এবং একমাত্র ল্যাটিন আমেরিকান যিনি জাতিসংঘের সর্বোচ্চ পদে আসীন হয়েছিলেন এবং পরবর্তীতে পেরুর প্রধানমন্ত্রীও (২০০০-২০০১) ছিলেন।
কেরিয়ার ও অবদান:
জাতিসংঘে: মহাসচিব হিসেবে তিনি আন্তর্জাতিক সংঘাত নিরসন, বিশেষ করে ইরান-ইরাক যুদ্ধ, এল সালভাদরের গৃহযুদ্ধ, এবং নামিবিয়ার স্বাধীনতার প্রক্রিয়ায় মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেন।
পেরুতে: ১৯৪০ সালে পেরুর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগ দেন এবং পরে রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২০০০-২০০১ সালে পেরুর প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন।
আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি: পরিবেশ ও উন্নয়নের জন্য বিশ্ব কমিশন প্রতিষ্ঠা করেন এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পুরস্কারে ভূষিত হন।
ব্যক্তিগত জীবন ও মৃত্যু:
- ১৯২০ সালের ১৯ জানুয়ারি পেরুর লিমায় জন্মগ্রহণ করেন।
- ২০২০ সালের ৪ মার্চ ১০০ বছর বয়সে লিমায় মৃত্যুবরণ করেন।
- তিনি ছিলেন একজন দক্ষ ও নিবেদিতপ্রাণ কূটনীতিক যিনি আন্তর্জাতিক শান্তি ও উন্নয়নে গভীর প্রভাব রেখে গেছেন।
বুত্রোস বুত্রোস গালি একজন মিশরীয় রাজনীতিবিদ ও কূটনীতিক ছিলেন, যিনি ১৯৯২ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘের ষষ্ঠ মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। মহাসচিব হিসেবে নিযুক্ত হওয়ার আগে, বুট্রোস-ঘালি ১৯৭৭ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত মিশরের ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন। তিনি যুগোস্লাভিয়ার ভাঙন এবং রুয়ান্ডার গণহত্যা সহ বেশ কয়েকটি বিশ্ব সংকটের সময়কালে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধান করেছিলেন।
- নিজ দেশ ঘানা।
- তিনিই প্রথম জাতিসংঘের নিজস্ব কর্মকর্তাদের মধ্যে থেকে মহাসচিব হন।
- ২০০১ সালে জাতিসংঘের সাথে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- নিজ দেশ- দক্ষিণ কোরিয়া।
- এশিয়া থেকে নির্বাচিত দ্বিতীয় মহাসচিব।
- দুই কোরিয়ার রাজনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নে বদ্ধপরিকর ছিলেন ।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- নিজ দেশ- পর্তুগাল
- জাতিসংঘের বর্তমান ও নবম মহাসচিব।
- পর্তুগালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী (১১৪ তম)। ইউরোপ মহাদেশ থেকে নির্বাচিত ৪র্থ মহাসচিব।